ডেস্ক নিউজ: গ্রেফতারের ৬ দিন পর জামিন পেলেন
জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিম হত্যা মামলায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন।

রবিবার(২২নভেম্বর) ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় ডা. মামুনকে জামিন দেন ঢাকার মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল।

তার মুক্তির দাবিতে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন ক্ষোভ-বিক্ষোভ জানিয়ে আসছিল। সারা দেশে মনোরোগ চিকিৎসকরা তাদের চেম্বারে সন্ধ্যায় দুই ঘণ্টা রোগী দেখা বন্ধ রাখছিল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ কমিশনার জাফর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মামুনের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর ডা. মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। এ ঘটনায় চিকিৎসকরা ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান।

রিমান্ড শেষে ২০ নভেম্বর ডা. মামুনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন হত্যা মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) ফারুক মোল্লা। আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন আমলে নিয়ে তাকে কারাগারে পাঠান।

প্রসঙ্গত, গত ৯ নভেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মারা যান পুলিশের সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিম শিপন। হাসপাতালটির কর্মচারীদের মারধরে তিনি মারা যান বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন সকালে নিহত এএসপি আনিসুল করিমের বাবা ফয়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডে ডা. মামুনের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো পর্যায়েই ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা ছিল না।