চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় গরু চুরির ঘটনা বেড়েছে।গরু চুরির একটি দুষ্ট চক্র প্রায় সময় কৃষকের গরু নিয়ে চলে যাচ্ছে নিরাপদে।
কিস্তি বা ঋণ নিয়ে অসহায় মানুষেরা গরু কিনে কোরবানিতে বিক্রির জন্য লালন পালন করে।কিন্তু কঠোর পরিশ্রম ও নিজের সর্বস্ব দিয়ে কেনা গরুগুলো নিয়ে গেল গতরাতে চোরেরা বললেন সীতাকুণ্ড পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্ডের নুর মোস্তফা প্রকাশ কেনু মিয়া পিতা মৃত নুরজ্জামা।গরুগুলোর আনুমানিক মুল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা,কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোস্তফা বলেন আমার সবশেষ হয়ে গেল।বউ বাচ্চা নিয়ে কিভাবে বাকি জীবন কাটাবো?এসব কথা বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে যায় মোস্তফা।
কিছুদিন পূর্বে পৌরসভার উত্তর এয়াকুব নগর,নুনাছড়া ও বটতল মীরের হাট এলাকা হতেও গরু চুরির খবর পাওয়া গেছে।নুনাছড়া জাফর নগর এলাকায়ও চোরাইকৃত গরু পাওয়া যায় পরে লালানগরের গরুর মালিক নিয়ে যায়।
এলাকাবাসী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারণ তারা সঠিক কথা বললে হামলা ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।চোরেরা একটা চক্র এলাকার কিছু দুষ্কৃতিকারী জড়িত।এলাকার খারাপ প্রকৃতির লোকেরা বহিরাগত চোর এনে গরু চুরি করায় বলে জনশ্রুতি আছে,অনেকে বলেন, এলাকার লোক জড়িত না থাকলে বহিরাগত চোর কিভাবেই জানবে কার গরু কোথায় আছে?তবে অনেকে ভয়ে থাকে কারণ সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের সোর্স পরিচয়েও এলাকায় দাপট দেখায় এসব অপকর্মকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,উক্ত এলাকায় অনেক চোর ডাকাত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বাকিদেরও আইনের কাছে সৌপর্দ করার জন্য চেষ্টা চলছে।গরু চুরি নয় যেকোন অপরাধের অপরাধী আইনের আওতায় আসবেই।।