মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যা মামলার রিমান্ডে থাকা মূল ৩ আসামিকে মেরিন ড্রাইভ রোডের টেকনাফের বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কাছে ঘটনাস্থলে নিয়েছে র‌্যাব। শুক্রবার দুপুর সোয়া একটার দিকে তাদের নিয়ে বাহারছড়ার ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মামলার তদন্ত সংস্থা।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র‌্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরওয়ার এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি হুবহু উপস্থাপন করে দেখানোর মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র দেখতে চাচ্ছেন র‌্যাব। বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ঘটনাস্থলটি ঘটনার দিন যেমন ছিল, সেভাবেই সাজানো হয়েছে।

ঘটনার সময় মেজর (অবঃ) সিনহা মো. রাশেদের ব্যবহৃত গাড়িটির মতো একটি প্রাইভেট কার রাখা হয়েছে ঘটনাস্থলে। মাত্র দুই মিনিটের মধ্যেই সেদিন ঘটনাটি কিভাবে সংঘটিত হয়েছিল- তা হুবুহু দেখাচ্ছেন হত্যাকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্টরা। ঘটনাটি খুব সুক্ষভাবে প্রত্যক্ষ করছে র‌্যাব। মাত্র দুই মিনিটে কিভাবে সিনহা হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিল- তা পুরো একটি মহড়ার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করছেন র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তারা। প্রতিটি সেকেন্ডকে নিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখছেন র‌্যাবের অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আসামীদের তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ নিচ্ছেন। রিমান্ডে থাকা বরখাস্তকৃত টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বরখাস্ত হওয়া ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ও বরখাস্ত হওয়া এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত ওইদিনের ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছেন র‌্যাবকে।

সিনহা হত্যা মামলার প্রধান ৩ আসামিকে গত ১৮ আগস্ট কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে ৭দিনের রিমান্ডে র‌্যাবের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ তাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই ৩ আসামিকে গত ১৮ আগস্ট কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে ৭দিনের রিমান্ডে র‌্যাবের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।