২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রাইমিয়া দখল করে নেওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার ওপর বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা চাপায়।

প্রায় ১৫০ জন রুশ নাগরিকের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়, এবং ৩৮টি রুশ কোম্পানির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তবে এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ইইউ সদস্যদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ইটালি, গ্রীস এবং হাঙ্গেরি এই নিষেধাজ্ঞা ওঠানোর পক্ষে।

অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ব্রিটেন যেখানে ইইউ জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে সেখানে রাশিয়ার ওপর অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা চাপানোর ব্যাপারে তাদের অনুরোধে সাড়া না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।ব্রিটেন এই বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টাকে তাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার ‘অবৈধ শক্তি প্রয়োগ’ হিসাবে দেখছে ।

নেটো সামরিক জোটের সংবিধানের ৫ ধারায় রয়েছে – কোনো সদস্য দেশের বিরুদ্ধে হামলাকে জোটের বিরুদ্ধে হামলা হিসাবে দেখা হবে।

এই ধারা একবারই কার্যকরী করা হয়েছিলো আমেরিকায় ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর।

তবে ব্রিটেন এখনও স্যালসবেরির ঘটনাকে আর্টিকেল ৫ বিষয় বলে দেখাতে চাইছে না।

তবে ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী সদস্য দেশগুলোতে অতিরিক্ত সৈন্য এবং অস্ত্র মোতায়েন করতে পারে নেটো জোট।

মিত্র দেশগুলোর সমর্থন কতটা?

ফরাসী প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মে। গতানুগতিক বক্তব্য দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্র।

আমেরিকা স্যালসবেরির ঘটনার নিন্দা করেছে তবে রাশিয়ার নাম উচ্চারণ করেনি।

রাশিয়াকে শাস্তি দেওয়ার জন্য ব্রিটেন পশ্চিমা মিত্রদের কতটা পাশে পাবে তা দিয়ে অনেক পর্যবেক্ষকের সন্দেহ রয়েছে।

Advertisements