মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ বিজয়ী চট্টগ্রামের এভ্রিল। তার পুরো নাম জান্নাতুল নাঈম। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী ঘোষণা শেষে জান্নাতুল নাঈমের মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন বিবি রাসেল। ফলে তিনিই যাচ্ছেন চীনে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সুন্দরীদের সঙ্গে ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার জন্য লড়বেন এই সুন্দরী।
বাংলাদেশ থেকে সবশেষ ২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর ৫১তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তাবাসসুম ফেরদৌস শাওন। ওইবার এ আসর বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার সান সিটিতে। ১৯৯৪ সালে প্রথম মিস বাংলাদেশ অংশ নেন বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায়। তিনি ছিলেন আনিকা তাহের। এরপর ইয়াসমিন বিলকিস সাথী (১৯৯৫), রেহনুমা দিলরুবা চিত্রা (১৯৯৬), শায়লা সিমি (১৯৯৮), তানিয়া রহমান তন্বী (১৯৯৯) ও সোনিয়া গাজী (২০০০) মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশর প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।
উপস্থাপক ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী শিনা চৌহান প্রথমে ঘোষণা করেন, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হয়েছেন জান্নাতুন সুমাইয়া হিমি। এর আগে প্রথম রানারআপ জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল আর দ্বিতীয় রানারআপ হিসেবে জেসিয়া ইসলামের নাম শোনা যায় তার মুখে।
‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ প্রতিযোগিতার আয়োজক অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী বললেন, ‘একটা ভুল হয়ে গেছে। মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ হয়েছেন জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। এরপর তিনি জানান, প্রথম রানারআপ জেসিয়া ইসলাম ও দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। তার এ ঘোষণা শুনে থতমত খেয়েছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা! চমকে যাওয়া নাকি হতভম্ব হওয়া, কোন অনুভূতি উল্লেখ করলে মানাবে তা বোঝা গেলো না!
বিজয়ী তালিকা দেখে মঞ্চের সামনের সারিতে বসে থাকা বিচারকরা বলে উঠলেন, ‘এটা তো আমাদের তালিকা না!’ তা-ই যদি হবে, শিনাকে তাহলে এই নামগুলো দিলেন কে? ভুলটা আসলে কার তা খোলাসা করেনি আয়োজকরা।
বিচারক প্যানেলে ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেল, জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, অভিনেত্রী শম্পা রেজা, আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ, করপোরেট ব্যক্তিত্ব রুবাবা দোলা মতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যক্তিত্ব সোনিয়া কবির। টাইটেল স্পন্সর ছিল লাভেলো।