বেসরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশী বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নম্বর ২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রানওয়েতে নামার সাথে সাথে কানাডীয় বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা বমবার্ডিয়ার অ্যারোস্পেসের তৈরি ড্যাশ-৮ বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে:

অন্তত ৪৯জন আরোহী মারা গেছেন।

বিমানে মোট ৬৭জন যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে ৩২জন বাংলাদেশী এবং ৩৩জন নেপালি ছিলেন।

বাংলাদেশী যাত্রীদের মধ্যে ১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ১৮জন নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিমান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন চারজন ক্রু সদস্য।

নেপালি কর্তৃপক্ষ বলছে, ফ্লাইট ২১১কে রানওয়ের দক্ষিণ দিক থেকে অবতরণ করতে বলা হলেও পাইলট উত্তর দিক থেকে অবতরণ করে।

তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স নেপালি কর্তৃপক্ষের দাবী অস্বীকার করে বলেছে, কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে পাইলটকে ভুল নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স’ উদ্ধার করা হয়েছে – এটি এমন একটি যন্ত্র যাতে ককপিটের যাবতীয় কথাবার্তা এবং বিমানের কারিগরি তথ্য রেকর্ড করা হয়।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে এ পর্যন্ত ৭০টি দুর্ঘটনা হয়েছে, যাতে ৬৫০ জনের বেশি লোক নিহত হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিঙ্গাপুর থেকে একটি ভিডিও বার্তায় বিমান দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ আগামীকাল (মঙ্গলবার) বাংলাদেশী যাত্রীদের আত্মীয়-স্বজনদের কাঠমান্ডু নিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ তদন্তে সহায়তা করার জন্য তিন-সদস্যর একটি দল গঠন করেছে, যারা শীঘ্রই কাঠমুন্ডু পৌঁছাবে।

Advertisements