আলজাজিরার সেই ৪ ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা ফেরত দিল আদালত

0
6

ডেস্ক নিউজ: কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আলজাজিরায় প্রচারিত অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন শিরোনামের প্রতিবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা মামলার আবেদন ফেরত দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

এ মামলার আসামিরা হলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান, সুইডেনপ্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল, হাঙ্গেরিপ্রবাসী বাংলাদেশি জুলকারনাইন সামি এবং আলজাজিরার ডিরেক্টর জেনারেল ও প্রধান সম্পাদক মোস্তফা স্যোয়াগ।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মহানগর হাকিম মো. আশেক ইমামের আদালত বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক আদালতে এ মামলার আবেদন করেন। একইদিন আদালত মামলার বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। তারপর আদালত শুনানি শেষে মামলাটি গ্রহণের বিষয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেবেন বলে জানান। তবে ওইদিন মামলাগ্রহণের বিষয়ে আদেশ না দিয়ে আজ আদেশের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুনাম হানি করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধে লিপ্ত আছে। তারা যৌথভাবে তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে ভুয়া মিথ্যা তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরি করে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে অল দি প্রাইম মিনিস্টার্স মেন শিরোনামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী প্রতিবেদনটি প্রচার করে এবং ওই প্রতিবেদন ইউটিউবেও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়, যা পরেরদিন বিভিন্ন মুদ্রিত ও অনলাইন পত্রিকাসমূহে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, আসামিরা ওই প্রতিবেদনে কোনো সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট বক্তব্য না দিয়ে এবং তথ্য উপাত্ত বা দলিলাদি উপস্থাপন না করেই ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কেবল কিছু ব্যক্তিগত পারিবারিক অনুষ্ঠানাদি ও সাক্ষাৎকারের ছবি ব্যবহার করে কণ্ঠস্বর সম্পাদনা করে একটি কাল্পনিক ভুয়া, মিথ্যা ও সাজানো কল্পিত তথ্যচিত্রের প্রতিবেদন তৈরি করে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে আল জাজিরা টেলিভিশনসহ ইউটিউবের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে অপপ্রচার করেছে। যা দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের সরকার ও রাষ্ট্রের সুনাম ও মর্যাদার হানি ঘটিয়েছে। এ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আসামিরা বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ১২৪/১২৪(এ)/১০৯/৩৪ ধারায় অপরাধ করেছে।