ভারতের হামলার পর বড় কোনা পদক্ষেপ নেয়নি পাকিস্তান। তবে সীমান্তে ব্যাপক গোলাবর্ষণ শুরু করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি সেক্টরে পাকিস্তান ব্যাপক শেলিং শুরু করেছে পাকিস্তান।

শুধু রাজৌরিই নয়, আখনুর,কৃষ্ণা ঘাঁটি সহ আন্তজাতিক সীমান্ত বরাবর একাধিক জায়গাতে হেভি শেলিং করছে পাকসেনা। ভারতের প্রত্যাঘাতের গোলাবর্ষনের পরিমাণ বাড়িইয়েছে পাকিস্তান। ভারী অস্ত্রের সাহায্যে এই হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তান সেনা। যদিও পালটা জবাব দেওয়া হচ্ছে ভারতীয় সেনার তরফেও।

পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার জন্যে এবার হেভি অস্ত্র ব্যবহার করেছে ভারতীয় সেনার জওয়ানরাও। যেভাবে লাগাতার সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে তা যুদ্ধের উস্কানি ছাড়া আর কিছু না বলেই মত সামরিক মহলের।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ভোর রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায় ভারতীয় বিমান বাহিনী। ভারতীয় যুদ্ধবিমান মিরাজ ২০০০-এর সাহায্যে এদিন ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই।

মুজফফরাবাদ সেক্টরের সকল জঙ্গি ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়ে আসে ভারতীয় বিমানগুলো।

অন্যদিকে, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। কারণ ভারতের প্রত্যাঘাতের পর পাকিস্তান চুপ করে বসে থাকবে না।। আগামীদিনে গোলাবর্ষনের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে মনে করছে ভারতীয় সেনা। আর সেজন্যে সব দিক থেকে তৈরি হচ্ছে ভারতীয় সেনা।