চসিকের বইমেলা ২৩ মার্চ শুরু

0
7

ডেস্ক নিউজ: বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) এবারের অমর একুশে বইমেলা নগরের কাজীর দেউড়ি স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম চত্বরে শুরু হচ্ছে ২৩ মার্চ। মেলায় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো প্রকাশনা সংস্থাকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

বইমেলার আয়োজক কমিটি ঠিক করবে কারা আলোচক থাকবেন।
প্রকৃত লেখক, কথাসাহিত্যিক, কবি, গবেষকদের পুরস্কৃত করবে বইমেলা কমিটি।
বুধবার (৩ মার্চ) করপোরেশনের টাইগারপাস কার্যালয়ে সিটি মেয়রের নেতৃত্বে বইমেলা কমিটি পুনর্গঠনে বসবেন লেখক প্রকাশকরা।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) বিকেলে করপোরেশনের আন্দরকিল্লার পুরনো নগর ভবনের কেবি আব্দুস সাত্তার মিলনায়তনে বইমেলা উপলক্ষে আয়োজিত মনবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে চসিক মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে মেলার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। বইমেলার আয়োজক হিসেবে চসিক শুধু পৃষ্ঠপোষকতা দেবে।

যাবতীয় সব কাজ করবে চট্টগ্রামের সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদ ও মেলা কমিটি। এবারের মেলায় অতীতের ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন করে ঢাকার বাছাই করা প্রকাশকদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। যাতে মেলার গুণগতমান বৃদ্ধি পায়। সভায় মুক্তিযোদ্ধা, গবেষক ও প্রকাশক ডা. মাহফুজুর রহমান, প্রকাশক জামাল উদ্দীন, সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের শাহ আলম নীপু, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, কবি ওমর কায়সার, গল্পকার বিশ্বজিৎ চৌধুরী, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া বক্তব্য দেন।
মতামত দেন সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার, সাংস্কৃতিক সংগঠক শুকলাল দাশ, আব্দুল হালিম দোভাষ, অঞ্চল চৌধুরী, অধ্যাপক গোফরান টিটু, নজরুল ইসলাম মোস্তাফিজ, সাইফুদ্দিন সাকী, সাইফুল আলম বাবু, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার প্রমুখ।

ছড়াকার মোদ্দাচ্ছের আলী, কবি সেলিনা শেলী, নাজিমুদ্দীন শ্যামল, শামসুল হকসহ লেখক-প্রকাশকরা মেলায় যাতে কোনোভাবেই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো অপশক্তি স্টল বরাদ্দ না পায়, মেলায় যাতে প্রকৃত লেখকদের যাচাই বাছাই করে পুরস্কৃত করা হয়, স্টলের পরিমাণ কমিয়ে পরিধি বাড়িয়ে ঢাকার বাছাই করা নামী প্রকাশকদের সমাগম ঘটানো, আলোচনা অনুষ্ঠানের আলোচক নির্ধারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে যাতে প্রকৃত সাংস্কৃতিক সংগঠন দিয়ে আয়োজন করা যায় তা নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানান। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান ২৬ মার্চের আগে নগরের সব অফিস আদালত, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাইন বোর্ডের নামফলক ইংরেজির পরিবর্তে বাংলায় চালু করতে মেয়রকে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার, বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত রাশেদ রউফ, কাউন্সিলর শহিদুল আলম, নেছার আহমেদ মঞ্জু, নাজমুল হক ডিউক, পুলক খাস্তগীর, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, উপ-সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here