পটিয়ায় লোহার রড, হাতুড়ি ও ব্লেড দিয়ে এঁকে শিশু নির্র্যাতনের ঘটনায় পুলিশ পাষণ্ড সেই সৎ মাকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার নিশু আকতার (২৬) উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের রশিদাবাদ গ্রামের রিকশাচালক মো. নাজিম উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাকে একই এলাকায় তার বাপের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শিশুটির বাবা নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এর প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) মো. তারিক রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সৎ মাকে গ্রেফতার করে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে পটিয়া থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে শিশুটির ছবি ও সৎ মা’র নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পুলিশ জানান, উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের রশিদাবাদ গ্রামের রিকশাচালক নাজিম উদ্দিনের প্রথম স্ত্রীর মারা যান। প্রথম সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। পরে নাজিম নিশু আকতারকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিশু মায়েশা আকতারকে (৮) শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। কয়েকদিন আগে শিশুটির মাথাও ফেটে দিয়েছেন সৎ মা।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুরিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) মো. তারিক রহমান জানান, শিশুটিকে ব্লেড দিয়ে এঁকে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় থানায় মামলা রেডর্ক করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সৎ মা’কে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে।