শীর্ষস্থানীয় দুই মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি দেশে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর জি) সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। অপারেটর দুটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরেও কুমিল্লা ও সিলেটে তাদের সব প্রযুক্তিকে ফোর জিতে রূপান্তরের কাজ শুরু করেছে। এ দুই অপারেটরের হয়ে কাজটি করছে প্রযুক্তি পণ্য সেবাদাতা কোম্পানি এরিকসন। দেশে চার মোবাইল ফোন অপারেটরকে ২০১৩ সালে থ্রিজি’র লাইসেন্স দেওয়ার সময় একই স্পেকট্রামে ফোরজি সেবা দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছিল। সেবা চালুর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির অনুমোদন নিতে হবে বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণফোন (জিপি) ও রবির ফোরজি’র প্রস্তুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এরিকসন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজ জেইন। সাংবাদিকদের সম্প্রতি রাজ বলেন, অপারেটর দুটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ কাজে তাদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করছে। তারা টুজি’র সঙ্গে থ্রিজি’র নেটওয়ার্কেও বড় পরিবর্তন আনছে। একই সঙ্গে ফোরজি’র প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে রবি’র ফোরজি সেবা চালুর অনুমোদন চাওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে অপর অপারেটর বাংলালিংক। তারা বলছে, রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণ হলে ২১০০ ব্যান্ডে তাদের স্পেকট্রাম হবে ১০ মেগাহার্ডজ। ফলে তাদের জন্যে ফোরজি সেবা শুরু করা সহজ হবে। এতে বৈষম্য দেখা দেবে বলে তারা মনে করে। তিন বছর আগে ২১০০ ব্যান্ডের স্পেকট্রাম নিলামের সময় শুধু গ্রামীণফোন ১০ মেগাহার্ডজ স্পেকট্রাম নিয়েছিল। অন্য তিন অপারেটর বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেল পাঁচ মেগাহার্ডজ করে স্পেকট্রাম নিয়ে ছিল। তবে এখন শুধু বাংলালিংক নয়, গ্রামীনফোনও চায় প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা বা টেকনোলজিক্যাল নিউট্রালিটি চালু হওয়ার পরই দেশে ফোরজি আসুক। যদিও অপারেটরটি তাদের প্রস্তুতির কাজ অনেকটাই এগিয়ে রাখছে।
FB_IMG_1464581506551