বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপটেন (অব.) আবদুল মাজেদকে তওবা পড়ানো হয়েছে। তওবা করার সময় অঝোরে তিনি কেঁদেছেন বলে কারা সূত্রে জানা গেছে। এসময় কারা কর্তৃপক্ষের কাছে শেষবার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান মাজেদ। তার শেষ ইচ্ছে পূরণে স্ত্রী সালেহা বেগমকে কারা কর্তৃপক্ষ ডেকে পাঠায়। আজ শনিবার রাত এগারোটায় মাজেদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে তার স্ত্রী ও আত্মীয়রা কারাগারে প্রবেশ করেছেন।

কারা সূত্র জানিয়েছে, স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার পর ফাঁসির পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া হবে। ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করতে জল্লাদসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

গণমাধ্যমকে ডেপুটি জেলার সমমর্যাদার একজন কর্মকর্তা জানান,মাজেদের ফাঁসির জন্য সবকিছু প্রস্তুত করা হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে কার্যকর হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি।

প্রসঙ্গতত, প্রায় দুই দশক ধরে পলাতক আবদুল মাজেদকে গত সোমবার মধ্যরাতে মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে মাজেদকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরদিন বুধবার মৃত্যুর পরোয়ানা পড়ে শোনানোর পর সব দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চায় আবদুল মাজেদ। পরে তা নাকচ হয়ে গেল খুনি মাজেদের দণ্ড কার্যকরে আর কোনো বাঁধা নেই।