প্রথমেই আমার সকল সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এই বলে শুরু করছি, আমার ও আমার পরিবারের দুঃসময়ে আপনাদের নিঃস্বার্থ সমর্থন ও ভালোবাসায় আমি আপ্লুত। গত কয়েকদিনে আমি সবচেয়ে ভালো বুঝতে পেরেছি যে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার মর্ম আসলে কী।’

শুক্রবার (০১ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেইজে এ ধরনের একটি পোস্ট দেন দেশ সেরা তারকা সাকিব আল হাসান।

তবে সেখানে তিনি সমর্থকদের শান্ত ও ধৈর্যশীল থাকতে বলেন এবং সবাইকে সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এ ছাড়াও দুঃসময়ে পাশে দাড়ানোর জন্য বিবিসিকেও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, আমি সবাইকে শান্ত থাকা ও ধৈর্য ধরার অনুরোধ করছি, যারা আমাকে দেওয়া শাস্তির কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। আমি নিশ্চিত করতে চাই- শাস্তি ঘোষণার মাত্র কদিন আগে খোদ বিসিবি বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারে। সেই সময় থেকে বিসিবিই আমাকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, আমি এজন্য কৃতজ্ঞ।

নিজের বর্তমান লক্ষ্যের কথা জানিয়ে সাকিব আরো বলেন, আমাকে কত মানুষ সাহায্য করতে চাইছে সেটা আমি বুঝি এবং মূল্যায়ন করি। সবকিছুর একটা প্রক্রিয়া আছে আর আমি আমাকে দেওয়া শাস্তি মেনে নিয়েছি, কারণ এটা যৌক্তিক ছিল। এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য মাঠে ফেরা এবং ২০২০ সালে বাংলাদেশের হয়ে খেলা। ততদিন পর্যন্ত আমাকে হৃদয়ে রাখবেন, প্রার্থনায় রাখবেন। ধন্যবাদ।

প্রসঙ্গত, ম্যাচ ফিক্সিংসের প্রস্তাব গোপনের অপরাধে আইসিসির ঘোষিত নিষেধাজ্ঞায় দিন পার করছেন সাকিব আল হাসান। অবশ্য দোষ স্বীকার করায় ১ বছরের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে আইসিসি। আর এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি যেদিন বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের জানান সেদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে অল্প কথা বলেছিলেন সাকিব। এরপর থেকে নিশ্চুপ ছিলেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার