লাইফ ফর লাইফ এর আয়োজনে পবিত্র মাহে রমজানে নগরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে আযান-হামদ-নাত প্রতিযোগিতা‘ভয়েস অফ রামাদান’।

0
35

লাইফ ফর লাইফ এর আয়োজনে পবিত্র মাহে রমজানে নগরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে আযান-হামদ-নাত প্রতিযোগিতা‘ভয়েস অফ রামাদান’। ১২ থেকে ২৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শুক্রবার বিকাল ৪টায় নগরীর বার্গউইচ টাউন রেস্টুরেন্টে প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম ও মাদ্রাসা মাধ্যমের শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করবে। ভয়েস অফ রামাদান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মুবিন তুষার। এছাড়াও প্রথম রানার আপ হয়েছেন যুগ্নভাবে কাওসার ফায়জী ও আয়াজ হাসান এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছেন তাহিয়া জান্নাত ও রেহনুমা জান্নাত।
এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও উদ্যোক্তা রওশন আরা চৌধুরী, দৃষ্টি চট্টগ্রামের সভাপতি মাসুদ বকুল, সিনিয়র সাংবাদিক নাসিরউদ্দিন হায়দার, জেসিআই চিটাগং কসমোপলিটন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু বকর সিদ্দিকী শাহেদ, ক্লাউড ওয়ানের সিইও কামরুল হাসান ফরহাদ, এ.পি.এম. রিপনএবং অনুষ্ঠানের চেয়ারম্যান বারকোড রেস্টুরেন্ট গ্রুপের এম. মঞ্জুরুল হক।
অতিথিরা বলেন, এই মহতী আয়োজনের সাথে যুক্ত হয়েছে প্রাইম পার্টনার হিসেবে হোটেল সাফিনা,ডিজিটাল পার্টনার লীড বাংলাদেশ, মিডিয়া পার্টনার সিপ্লাসটিভি, প্রমোশন পার্টনার ডেসপারেটলি সিকিং চিটাগাং, ক্রিয়েটিভ পার্টনার ইনফিনাইট ইমেজ, আউটরীচ পার্টনার টীম চিটাগং, আইটি পার্টনার ক্লাউড ওয়ান, ফটোগ্রাফি পার্টনার ফাহিম শাহরিয়ার নিশান, সিনেমাটোগ্রাফি পার্টনার হেলো চিটাগং, পার্টনার হিসেবে কাজ করছে অফট্র‍্যাক।
অনুষ্ঠানের চেয়ারম্যান বারকোড রেস্টুরেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল হক জানান, এ অনুষ্ঠানে র মাধ্যমে রমজানের মাহাত্ম্যকে জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেবার একটা ছোট প্রয়াস নেয়া হয়েছে।
মহিউদ্দিন মাসুমের পরিকল্পনায় এবং শহীদ হিরোর পরিচালনায় প্রথম পর্যায়ের অডিশন রাউন্ডে মোট ৭৬ জন প্রতিযোগী হামদ-নাত পরিবেশনা করেন।
গ্রান্ড ফিনালেতে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাওসার হামিদ, মিরাক্কেল রানার আপ কামারউদ্দিন আরমান, রাশেদুল হাসান মুরাদ এবং ওমর ফারুক।
অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে
আয়োজকদের পক্ষ থেকে কামারউদ্দিন আরমান জানান, এ বছর শুরু করেছি। আশা করছি প্রতিবছর এই আয়োজনের মাধ্যমে রমজানের শিক্ষা এবং মাহাত্ম্যকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব। আমরা এ প্রতিযোগীতা যখন শুরু করেছিলাম তখন সবার মধ্যে হিন্দি-উর্দুতে হামদ-নাত-গজল গাওয়ার প্রবণতা ছিল। কিন্তু পক্ষকালব্যাপী গ্রুমিংয়ের পর আমরা ফাইনাল রাউন্ডে সবাইকে বাংলায় হামদ-নাত-গজল গাইয়েছি। এটা আমাদের জন্য একটা বড় অর্জন।