মা-বাবা-বোনকে হত্যা করেছেন মেহজাবিন!

0
1

ডেস্ক নিউজ: রাজধানীর কদমতলীতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মা-বাবা ও বোনকে হত্যা করেছেন
বড় মেয়ে মেহজাবিন।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ জুন) দিবাগত রাতে মুরাদপুরে বাবার বাসায় বেড়াতে আসেন মেহজাবিন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী শফিফুল ইসলাম ও মেয়ে তাবাসসুম তৃপ্তি। রাতে তারা একসঙ্গে খাবারও খান। সেই রাতে ফ্ল্যাটে এমন কিছু ঘটেনি, যা শুনে প্রতিবেশিরা কিছু টের পেতে পারেন। কারো কাছ থেকে তেমন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কিন্তু মুরাদপুর হাইস্কুলের গলির ওই বাসার ফ্ল্যাট থেকে সকালে পুলিশ মাসুদ রানা, তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম ও মেয়ে জান্নাতুলের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বড় মেয়ে মেহজাবিন এলোমেলো উত্তর দেন। অনেককিছু আড়াল করার চেষ্টা তার মধ্যে দেখা যায়। তিনি দাবি করেন, তার বাবা-মা ও বোন আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু ক্রাইম সিন পরিদর্শন করে পুলিশ বুঝতে পারে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

শনিবার দুপুরে (১৯ জুন) মুরাদপুরের ওই বাসায় নিহত মৌসুমী ইসলামের একমাত্র ভাই উপস্থিত সংবাদকর্মীদের জানান, সম্ভবত পারিবারিক কলহের কারণেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে।

এরআগে দুপুরে ওই বাসা থেকে মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলামী (৪০) ও তাদের মেয়ে জান্নাতুলের (২০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

কদমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

বাবা-মার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল না মেহজাবিনের হত্যার রহস্য উন্মোচনে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে নেমেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মেহজাবিনের সঙ্গে তার বাবা-মায়ের সম্পর্ক ভালো ছিল না। প্রায়ই তাদের মনোমালিন্য ও দ্বন্দ্ব হতো। অর্থ-সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ‌্যে বিরোধ ছিল। এসব কারণে মেহজাবিন মাঝেমধ্যে বাবার বাড়িতে এসে কিংবা মোবাইল ফোনে তাদের সঙ্গে ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here