করোনার দুর্যোগে বদলে গিয়েছে বিশ্ব পরিস্থিতি। বিশ্বের রাষ্ট্রের রাষ্ট্র নায়করা রীতিমতো হিমসীম খাচ্ছে পরিস্থিতি মোকাবিলায়।বিগত এক শতকে এমন মহা দুর্যোগ বিশ্ববাসী দেখেনি।বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়করা পর্যন্ত প্রকৃতির মহা দুর্যোগের কাছে আত্নসমর্থন করেছেন। সেখানে আমাদের বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মানবিক রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনা অসীম সাহসীকতা এবং মানবিকতা দিয়ে সব কিছু জয় করেছেন।করোনার মহা যুদ্ধে দক্ষ সার্বাধিনায়ক হিসেবে ইতিহাসের যুদ্ধ জয়ের বীরত্ব ঘাতা গৌরব অর্জন করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।তিনি সাধারণ মানুষের কাছে সবসময় আধারের আলো প্রিয় প্রধান মন্ত্রী। এখানেই তার সার্থকতা, নেতৃত্বের সফলতা।বঙ্গবন্ধু কন্যার মানবিকতায় অভিভূত হয়। যখন দেখি শত সীমাবদ্ধতার কথা না ভেবে মিয়ানমার থেকে ছুটে আসা ১১ লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেন। যখন পুরান ঢাকায় অগ্নিদগ্ধে হারানো এতিম সন্তানদের পরম মমতায় বুকে টেনে নেন।তখন বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরোধীরাও নিশ্চয় তার মানবিকতায় মুগ্ধ হয়। যখন শিশুরা একটি সাকোর অভাব স্কুলে যেতে পারেনা তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই খালের উপর ব্রীজ নির্মানের ব্যাবস্থা করে সমস্যার সমাধান করে।বঙ্গবন্ধু কন্যার এসব মহানুববতায় দেশের শুধু ১৭ কোটি মানুষ নয় বিশ্ববাসী অনন্তকাল মনে রাখবে।

ধর্ষনের সর্বচ্চো সাজা মৃত্যুদন্ড করার পরেও অস্থিতিশীল পরিস্থির সৃষ্টির চেষ্টা, সারাদেশে পরিকল্পিত ভাবে ধর্ষন এবং বেশি বেশি ধর্ষনের মামলা করার বিরোধী দলের অনেক নেতার ফোন আলাপে প্রকাশ পেয়েছে। এটা সরকার বিরোধী চরম অপতৎপরতা। ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একের পর এক শিক্ষার্থীকে বলৎকার করা হয়। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল হয় না। আবার ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে মুক্তি যোদ্ধার চেতনা পক্ষের একাত্তর টিভির গেরাওয়ের কর্মসুচিদের ওটা কিসের আলামত। এ অভিনব ষড়যন্ত্রকে প্রতিরোধ করতে হবে।দেশ এবং দেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য মহান সৃষ্টি কর্তা রাব্বুল আলামীনের কাছে আমাদের প্রার্থনা দেশ এবং দেশের মানুষের প্রয়োজনে নিরাপদে বেচে থাকার প্রয়োজনে বিশ্ব নেত্রী শেখ হাসিনার মতো মানবিক, সাহসী ও দক্ষ নেতৃত্বে সরকার প্রয়োজন বারবার। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখা
এম এ হান্নান চৌধুরী(মন্জু)
ধর্ম-বিষয়ক সম্পাদক।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ।