নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন এলাকায় স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৯ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ এবং ভিকটিমকে উদ্ধারপূর্বক ঘটনায় জড়িত পাঁচজনের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি সিভয়েসকে নিশ্চিত করেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (বায়েজিদ জোন) পরিত্রাণ তালুকদার।

এদিকে আজ রোববার (৩০ আগষ্ট) গ্রেফতার চার ধর্ষককে আদালতে উপস্থাপন করলে তিন আসামি স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন। বাকী ১ জন আসামি জবানবন্দি দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছেimage৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার বিষয়টি সিভয়েসকে নিশ্চিত করেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) শাহাবুদ্দিন আহমদ।

শাহাবুদ্দিন আহমদ বলেন, ধর্ষণের একটি মামলায় চার আসামিকে আদালতে হাজির করলে তিন আসামি দোষ স্বীকার করে বিচারকের কাছে জবানবন্দি দেন। বাকী এক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তবে রিমান্ড বিষয়ে এখনো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।

গত শনিবার ২৯ আগষ্ট বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওয়াপদা গেইটের আত্মীয়ের বাসা থেকে রৌফাবাদের বাসায় সিএনজি করে ফিরছিলেন স্বামী ও তার স্ত্রী। অক্সিজেন মোড় আলপনা ক্লাবের সামনে গেলে বখাটেরা তাদের গতিপথ রোধ করেন এবং স্বামীকে সিএনজিতে আটকে রেখে মধ্যম শহীদ নগর সালমা কলোনীর ৫ নম্বর রুমে নিয়ে গিয়ে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় স্বামী দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। ৫ আসামি হলেন- বাদশা মিয়া (৩৬), মো. জাবেদ (২৮), মো. রবিন (১৯), মো. ইব্রাহিম (৩০) ও মো. শফি। এদের মধ্যে শফি পলাতক রয়েছেন।