কোভিড ১৯ রোগের কোন প্রতিষেধক নেই। আবিষ্কারে চলছে বিশ্বব্যাপী গবেষণা।তবে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।সব বয়সী মানুষকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তবে যারা ডায়েটে আছেন তাদেরও এখন মানসম্পন্ন খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহানের পরামর্শ। কোভিড-১৯ এ বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। প্রতিদিন যেমন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, তেমনি মারাও যাচ্ছেন হাজার হাজার।নতুন এই ভাইরাসের প্রতিষেধক এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। যদিও প্রাণপণে সেই চেষ্টা চালাচ্ছেন সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা।বিশেষ করে ভিটামিন সি বা সাট্রাস টাইপের অথবা টক জাতীয় যে ফল গুলো আছে আমাদের আশেপাশে কিন্তু এই ফলগুলো আছে। এখন পাওয়া যায় পেয়ারা, আমড়া,জাম্বুরা,আমলকী,লেবু,কাচামরিচ এগুলো সবই কিন্তু ভিটামিন সি। পাশাপাশি আমরা বলি যে ভিটামিন ডি ক্ষেতে হবে। কারণ ভিটামিন ডি করোনাভাইরাসের সাথে জড়িত। ভিটামিন ডি জাতীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে ডিমের কুসুম,দুধ যা আমরা খুব সহজেই পেয়ে থাকি। এছাড়া জিংক জাতীয় খাবার যদি খাওয়া যায় তাহলে আমাদের শরীরে খুব দ্রুত রোগ পরিতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তবে বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং শিশুদের প্রতি এই সময়ে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

www.traveltrolleybd.com
www.traveltrolleybd.com

যারা ক্রাশ ডায়েট করছেন, এই সময়ে তা বাদ রাখা ভালো। ক্রাশ ডায়েটের ফলে খুব দ্রুত ওজন কমে যাওয়ার সাথে সাথে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কিন্তু কমে যায়। সেক্ষেত্রে তাঁরা কিন্তু এখন ভিক্টিম অবস্থায় আছে। তাই তাঁদের জন্য বলবো, অবশ্যই এই সময়টাতে ডায়েট বাদ দিয়ে সাধারণ খাবার যেগুলি ইমিউনিটি সিস্টেম বাড়ায় সেগুলো যেন প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখবেন।
লেখাঃ ইসরাত জাহান(পুষ্টিবিদ)