আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করা চট্টগ্রাম মহানগরে বসবাসকারী ছাত্রলীগের কয়েকজন সাবেক কর্মী। চট্টগ্রাম মহানগরে ছাত্রলীগের বিবিধ বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছুদিন যাবত কিছু বিতর্কিত উক্তি দেখে আমরা অত্যন্ত আশাহত, ব্যথিত, এবং বিব্রত। চট্টগ্রাম মহানগরে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অতীতে কখনো থানা ছাত্রলীগের কমিটি ছিলো বলে আমাদের জানা নেই। যদিও থানাই হল প্রতিটি মহানগরের প্রধান ইউনিট। সাইফুর রহমান সোহাগ এবং এস এম জাকির হোসেন চট্টগ্রামে বিভাগীয় বর্ধিত সভা করার সময় এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্ধিত সভায় থানা কমিটি না থাকায় চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদককে বিদ্রুপ ও তাচ্ছিল্য করেছে বলে অনেক কর্মীদের মুখে শুনেছি। আশার বিষয় হল প্রায় ৩০ বছরের সকল হতাশা এবং বঞ্চণার আধার পেরিয়ে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তার সাথে সকল অপশক্তিকে মোকাবেলা করে গত ২৭-১২-২০১৯ চট্টগ্রাম মহানগরের ইতিহাসে ১ম বারের মত কোন থানা কমিটি গঠিত হয়।

১ম পৃষ্ঠা

শেষ পৃষ্ঠা

যারা হল- যথাক্রমে বন্দর, পতেঙ্গা এবং আকবর শাহ। যার ফলে চট্টগ্রাম মহানগরের ছাত্র রাজনীতি প্রাণ পায়। এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তারা যেভাবেই হউক নাহ কেন অতীতে দায়িত্বরত মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ যে দায়িত্ব নিতে পারে নি বর্তমান কমিটি তৃণমূল কর্মীদের মূল্যায়ন করার চেষ্টা করে সে দায়িত্ব পালন করেছে। বিগত ০৬-০২-২০২০ তারিখে চট্টগ্রাম মহানগর রাজনীতির অতীব গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ডাবলমুরিং এবং চাঁদগাও থানার সাংগঠনিক কমিটি ঘোষনা করে, যা ক্ষতবিক্ষত চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করা প্রায় সকল মোর্চার ছাত্রলীগ কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় খন্ডে খন্ডে বিভক্ত ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ডকে এক সুতোয় গাঁথার স্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে গুটি কয়েক কিশোর-যুবক রাস্তায় এবং সামাজিক গণমাধ্যমে কূৎসা রটনা করেছে যেখানে শিষ্টাচার বহির্ভূত এই সকল যুবকের ছাত্রত্ব আছে কিনা তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। এছাড়া আমরা লোকমুখে শুনতে পাচ্ছি এই প্রক্রিয়া কিছু দাগী ফৌজদারিসহ বিবিধ জনবিরোধী মামলার এজহারভুক্ত কিছু কুখ্যাত আসামী ছাত্রলীগকে ব্যক্তি স্বার্থে কুক্ষিগত করার লক্ষে ছাত্রলীগের গৌরব নষ্ট করার চেষ্টা করছে। আমরা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদকের সকল ছাত্ররাজনীতি মুখী সিদ্ধান্ত এবং চট্টগ্রাম মহানগরের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে গৌত্রে গৌত্রে বিভক্ত সংগঠনকে একসুঁতোয় গাঁথার সাহসী সিদ্ধান্তকে দৃঢ় সমর্থন/স্বাগত জানাই।