নগরীর ১৬ থানায় চলছে সারপ্রাইজিং চেকপোস্ট।

0
83

গুলশানের হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা মামলার রায় ঘোষণা হবে আজ। রায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও রায়কে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন অবনতি না হয় সেজন্য নগরীর ১৬ থানায় চলছে সারপ্রাইজিং চেকপোস্ট। রাত আটটা থেকে শুরু হয় বিশেষ অভিযান। নগরীর বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তল্লাশি ও অভিযানের কথা নিশ্চিত করলেও এটিকে অস্বাভাবিক কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন।
সিএমপির কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন।তিনি আরো জানিয়েছেন,আমাদের থানা এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে সন্দেহভাজন গাড়ি ও ব্যক্তিদের। বিশেষ কোনো কারণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, না আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে কন্ট্রোলের মধ্যে থাকে সেজন্যই এই চেকপোস্ট। সরেজমিনে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ নিউমার্কেট মোড়ে গতকাল বিকেল থেকে কোতোয়ালী থানার এসআই মৃণাল মজুমদারের নেতৃত্বে অভিযান চলতে দেখা গেছে। অভিযান প্রসঙ্গে এসআই মৃণাল সময় নিউজকে বলেন, উপরের নির্দেশে চেকপোস্ট পরিচালিত হচ্ছে।
বাকলিয়া থানার ওসি মো. নেজামউদ্দিন বলেন, রাত আটটা থেকে আমাদের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। এছাড়া চেকপোস্টও চলছে থানা এলাকার কয়েকটি স্থানে।
সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একজন জানিয়েছেন নগরীর ১৬ থানায় ৩২টি চেকপোস্ট পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া রাত আটটা থেকে ১৬ থানায় একযোগে অভিযান পরিচালিত হবে। মূলত: আগামীকালের (আজ বুধবার) হলি আর্টিজানের রায়কে কেন্দ্র করে কোনো গোষ্ঠী যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাজধানীর হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। অস্ত্রের মুখে বিদেশিদের জিম্মি করে তারা ২০ জনকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে জাপান, আর্জেন্টিনা, ইতালি ও ভারতের নাগরিক ছিল। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। আজ সে মামলার রায় ঘোষণা করবে আদালত।