এশিয়া কাপ ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। খেলাগুলো হবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও শেখ আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে। এ দুটি মাঠের উইকেট ঐতিহ্যগতভাবেই স্পিনবান্ধব এবং কিছুটা মন্থর। কিন্তু পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট এসব পাত্তা দেয়নি। এশিয়া কাপের জন্য তাঁরা যে স্কোয়াড গঠন করেছে সেখানে দু-একজন নয়, ছয়জন পেসার!

বোঝাই যাচ্ছে, উইকেট যাই হোক না কেন এশিয়া কাপে গতির ফুলকি ছোটাতে চায় পাকিস্তান। বোলিং বিভাগে পেস আক্রমণই তাঁদের মূল ভরসা। আর তাই মোহাম্মদ আমির, শাহীন আফ্রিদি, জুনায়েদ খান, ফাহিম আশরাফ, হাসান আলী ও উসমান খানকে নিয়ে পেস আক্রমণ সাজিয়েছে তাঁরা। ১৬ সদস্যের এ স্কোয়াডে জায়গা পাননি মোহাম্মদ হাফিজ। পাকিস্তানের ৩৭ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দলে থাকলেও কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি। এবার এশিয়া কাপের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ায় হাফিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার ইয়াসির শাহ জায়গা পাননি স্কোয়াডে। ইমাদ ওয়াসিমকে রাখা হলেও তাঁর ফিটনেস নিয়ে সমস্যা আছে। পাকিস্তানের স্পিন বিভাগের নেতৃত্ব দেবেন মোহাম্মদ নওয়াজ। তবে পেস আক্রমণেই পাকিস্তানি টিম ম্যানেজমেন্টের ভরসা বেশি সে তো স্কোয়াড দেখেই বলে দেওয়া যায়। ১৬ সদস্যের স্কোয়াডে ছয়জনই পেসার! এর মধ্যে ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার শাহীন আফ্রিদিকে নিয়ে পাকিস্তান কোচ মিকি আর্থার ভীষণ আশাবাদী। ওয়ানডেতে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ১৮ বছর বয়সী এই পেসারকে মিচেল স্টার্কের সঙ্গে তুলনা করেছেন মিকি আর্থার।

এশিয়া কাপে ‘এ’ গ্রুপে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ভারত এবং বাছাইপর্ব থেকে উঠে আসা আরেকটি দল। ১৬ সেপ্টেম্বর বাছাইপর্ব থেকে উঠে আসা দলের মুখোমুখি হয়ে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের এই লড়াই শুরু করবে পাকিস্তান।

এশিয়া কাপে পাকিস্তানের স্কোয়াড: ফখর জামান, ইমাম-উল-হক,শান মাসুদ, বাবর আজম, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), হারিস সোহেল, আসিফ আলী, মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাদাব খান, মোহাম্মদ আমির, হাসান আলী, জুনায়েদ খান, উসমান খান, শাহীন আফ্রিদি।